ছবির ক্যাপশন: মধ্যপ্রাচ্যে প্রভাব বিস্তারে বিশেষ দূত পাঠাচ্ছে চীন। (প্রতীকী ছবি)
মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়াচ্ছে বেইজিং
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে নতুন কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে চীন। এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক গভীর করার লক্ষ্যে বিশেষ দূত পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেইজিং। দৈনিক ইনকিলাবের তথ্য অনুযায়ী, চীনের এই কূটনৈতিক মিশনের তালিকায় রয়েছে ইরান, সৌদি আরব এবং ওমান।
কেন এই সফর?
দীর্ঘদিন ধরেই মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখে চলছে চীন। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এই অঞ্চলের দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক আরও নিবিড় করাই এই বিশেষ দূত পাঠানোর মূল উদ্দেশ্য বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ইরান ও সৌদি আরবের মতো প্রভাবশালী দেশগুলোর সঙ্গে চীনের এই যোগাযোগ আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
ওমানকেও এই সফরের অন্তর্ভুক্ত করার মাধ্যমে সমুদ্রপথে বাণিজ্যের নিরাপত্তা ও কৌশলগত অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির বার্তা দিচ্ছে চীন। বেইজিংয়ের এই পদক্ষেপ মধ্যপ্রাচ্যে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাবের বিপরীতে নিজেদের একটি শক্তিশালী বিকল্প শক্তি হিসেবে তুলে ধরার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই সফরের মাধ্যমে চীন মূলত শান্তি আলোচনা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি করতে চায়।