উৎসবের প্রধান আকর্ষণ ছিল ‘ওয়ার্ল্ড ফুড ফেস্টিভ্যাল’। এতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা নিজেদের সংস্কৃতি ফুটিয়ে তুলতে একটি দৃষ্টিনন্দন বুথ সাজান। বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, ওই বুথে বিরিয়ানি, ফুচকা, রসমালাই ও মিষ্টি পুডিংসহ নানা রকমের দেশীয় সুস্বাদু খাবার তৈরি ও পরিবেশন করা হয়। বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থীদের মাঝে বাংলাদেশি এসব খাবারের স্বাদ ও বৈচিত্র্য ব্যাপক সমাদৃত হয়, যা বাংলাদেশকে প্রতিযোগিতায় শীর্ষ স্থান এনে দেয়। এ জয়ে কোরিয়ায় অধ্যয়নরত বাংলাদেশি কমিউনিটিতে আনন্দ ও উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে।
স্বেচ্ছাশ্রম ও নিজস্ব অর্থায়নে আয়োজন
কোনো বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা রেমিট্যান্স হাউজের পৃষ্ঠপোষকতা ছাড়াই সম্পূর্ণ নিজেদের অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে এই প্রশংসনীয় উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাও এ আয়োজনে অংশ নিয়ে অনুষ্ঠানকে প্রাণবন্ত করে তোলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি সময়, শ্রম ও নিজস্ব অর্থ ব্যয় করে বিদেশের মাটিতে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেন তারা।
দিনব্যাপী এই আয়োজনে বিশ্ব খাদ্য উৎসব ছাড়াও দলীয় খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা এবং বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে বিকেলেই শেষ হয় দিনের আনুষ্ঠানিক আয়োজন।