জামায়াতের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি ২০১৬ সালেই সুরাহা হওয়া উচিত ছিল: আইনমন্ত্রী
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 18, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: একাত্তরের ভূমিকার জন্য জামায়াতের ক্ষমা চাওয়ার বিষয়ে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। (প্রতীকী ছবি)
জামায়াতের দায়বদ্ধতা ও ব্যারিস্টার রাজ্জাকের অবস্থান
একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকা নিয়ে দীর্ঘদিনের বিতর্কের মাঝে দলটির সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের লেখা স্মৃতিকথা নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। এই প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক মন্তব্য করেছেন, ব্যারিস্টার রাজ্জাক যে বিবৃতি দিয়েছেন, তা যদি ২০১৬ সালেই স্বাক্ষরিত ও কার্যকর হতো, তবে জামায়াতকে নিয়ে চলমান অনেক প্রশ্নেরই সুরাহা হয়ে যেত।
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব
বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ব্যারিস্টার আব্দুর রাজ্জাকের এই স্মৃতিকথা প্রকাশের পর জামায়াতের ভেতরে একাত্তরের ইস্যুতে ক্ষমা চাওয়ার বিষয়টি নিয়ে নতুন করে মেরুকরণ স্পষ্ট হয়েছে। অনেক আগে থেকেই দলটি একাত্তরের ভূমিকার জন্য ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়ে আসছিলেন ব্যারিস্টার রাজ্জাক, যা নিয়ে দলের অভ্যন্তরীণ নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে মতবিরোধ ছিল। আইনমন্ত্রী মনে করেন, সময়মতো এই দায় স্বীকার করলে রাজনৈতিক অঙ্গনে জামায়াতের অবস্থান ভিন্ন হতে পারত।
উল্লেখ্য যে, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত দলটির বিরুদ্ধে জনমনে দীর্ঘদিনের ক্ষোভ রয়েছে। ব্যারিস্টার রাজ্জাকের এই উদ্যোগকে দলটির একটি অংশ ইতিবাচক হিসেবে দেখলেও, দলের মূল নেতৃত্বে এ নিয়ে রয়েছে ভিন্নমত। আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মতে, জামায়াত যদি একাত্তরের ভূমিকার জন্য আনুষ্ঠানিক ক্ষমা প্রার্থনা করত, তবে বিষয়টি নিয়ে জনমনে থাকা অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর সমাধান সহজ হতো।
কমেন্ট বক্স