ছবির ক্যাপশন: লোহিত সাগরে হুতিদের হামলা বন্ধে ইরানের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে চীন। (প্রতীকী ছবি)
লোহিত সাগরে অস্থিরতা ও চীনের ভূমিকা
মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করে লোহিত সাগরে হুতি বিদ্রোহীদের হামলা বন্ধে ইরানকে চাপ দিচ্ছে চীন। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিশেষ অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে বেইজিং এই কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করেছে। লোহিত সাগরে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের ওপর হুতিদের ধারাবাহিক আক্রমণ বিশ্ববাণিজ্যে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করেছে, যা নিয়ে রিয়াদ ও বেইজিং উভয়ই উদ্বিগ্ন।
কেন এই উদ্যোগ?
চীন ও সৌদি আরবের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক ও কৌশলগত সম্পর্কের কারণেই বেইজিং এই মধ্যস্থতায় আগ্রহী হয়ে উঠেছে। লোহিত সাগরের নিরাপত্তা বিঘ্নিত হলে চীনের জ্বালানি সরবরাহ ও পণ্য পরিবহণ ব্যবস্থা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। হুতিদের ওপর ইরানের প্রভাব সর্বজনবিদিত। তাই তেহরানকে বোঝানোর মাধ্যমে এই সংঘাত নিরসনের চেষ্টা করছে চীন। বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি রক্ষা করা চীনের নিজস্ব অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষার জন্য অত্যন্ত জরুরি।
ভবিষ্যৎ প্রভাব
ইরানের ওপর চীনের এই কূটনৈতিক চাপ কতটা কার্যকর হবে তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আলোচনা চলছে। সৌদি আরবের অনুরোধে সাড়া দিয়ে চীন যেভাবে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে, তা অঞ্চলটির নিরাপত্তা কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। ইরান যদি চীনের আহ্বানে সাড়া দিয়ে হুতিদের ওপর প্রভাব বিস্তার করে, তবে লোহিত সাগরে চলমান উত্তেজনা অনেকাংশে প্রশমিত হতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।