সরকারি চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় কেন্দ্রীভূত হওয়া নিয়ে প্রশ্ন: বিভাগীয় পর্যায়ে কেন্দ্রের দাবি
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 13, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: সরকারি চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় আয়োজিত হওয়ায় দূরদূরান্তের পরীক্ষার্থীদের যাতায়াত ও আবাসনজনিত ভোগান্তি পোহাতে হয়। (প্রতীকী ছবি)
সরকারি দপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়োগের লক্ষ্যে আয়োজিত বাছাই পরীক্ষাগুলো অধিকাংশ ক্ষেত্রেই রাজধানী ঢাকাতেই অনুষ্ঠিত হয়। দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে আসা লাখ লাখ চাকরিপ্রার্থীর জন্য বিষয়টি প্রতিনিয়ত একটি বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। ফলে এই প্রশাসনিক কেন্দ্রিকতা কতটা সময়োপযোগী ও যৌক্তিক, তা নিয়ে নানা আলোচনা ও প্রশ্ন সামনে আসছে।
পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি ও আর্থিক চাপ
রাজধানীতেই কেন্দ্র নির্দিষ্ট থাকার কারণে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পরীক্ষার্থীদের ঢাকায় আসতে হয়। সময়মত পৌঁছানোর জন্য যাতায়াত ব্যবস্থার ঝামেলা, যানজট এবং রাজধানীতে সাময়িক আবাসনের অভাব পরীক্ষার্থীদের চরম মানসিক ও শারীরিক কষ্টে ফেলে। এছাড়া দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত পরিবার থেকে আসা চাকরিপ্রার্থীদের জন্য যাতায়াত ও থাকার খরচ বহন করা একটি বড় অর্থনৈতিক চাপ তৈরি করে। একাধিক প্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা পরপর থাকলে এই কষ্ট ও ব্যয় বহুলাংশে বেড়ে যায়।
বিকেন্দ্রীকরণের প্রয়োজনীয়তা
বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও সমন্বিত প্রশাসনিক ব্যবস্থার যুগে দেশের প্রধান প্রধান বিভাগীয় শহরে একযোগে এসব পরীক্ষা পরিচালনা করা সম্ভব বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং আঞ্চলিক সরকারি কলেজগুলোর অবকাঠামো ব্যবহার করে প্রাথমিক বাছাই বা প্রিলিমিনারি পরীক্ষাগুলো বিভাগীয় পর্যায়ে আয়োজন করা গেলে পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি বহুলাংশে হ্রাস পাবে।
সরকারি নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দেশের সব অঞ্চলের প্রার্থীর সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে পরীক্ষা কেন্দ্রের বিকেন্দ্রীকরণ এবং আঞ্চলিক কেন্দ্র স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে পড়েছে।
কমেন্ট বক্স