দেশের বেকারত্ব সমস্যা নিরসনে সরকারি চাকরির সর্বোচ্চ মেয়াদ ১০ থেকে ১৫ বছর নির্ধারণের একটি নতুন প্রস্তাব দিয়েছেন এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম 'দ্য ওয়াল'-এর প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্যের কথা জানা গেছে। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, এ ধরনের পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে দেশের বিপুল সংখ্যক চাকরিপ্রার্থীর জন্য সরকারি কর্মক্ষেত্রে যোগ দেওয়ার পথ সুগম হতে পারে।
বেকারত্ব হ্রাসে নতুন উদ্যোগের প্রস্তাব
সাধারণত প্রচলিত নিয়মে সরকারি কর্মীরা নির্দিষ্ট বয়স পর্যন্ত দীর্ঘ সময় সেবা দেওয়ার সুযোগ পান। তবে মন্ত্রীর প্রস্তাবিত ধারণাটি কার্যকর হলে, কোনো ব্যক্তি ১০ থেকে ১৫ বছর দায়িত্ব পালনের পর পদ খালি করে দেবেন। এর ফলে নতুন চাকরিপ্রার্থীদের ধারাবাহিকভাবে নিয়োগ পাওয়ার সুযোগ তৈরি হবে। মূলত এক জায়গায় দীর্ঘদিন পদ আটকে না রেখে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান সুনিশ্চিত করাই এই প্রস্তাবের মূল উদ্দেশ্য।
কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ
কর্মসংস্থান খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি চাকরির সীমিত মেয়াদের নিয়ম চালু হলে পদ পূরণের গতি বৃদ্ধি পাবে। সাধারণ চাকরিপ্রার্থীদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার প্রস্তুতিতে সময় ব্যয় করেন। রোটেশন ব্যবস্থা থাকলে কর্মসংস্থানের সুযোগ অনেক বেশি বিস্তৃত হতে পারে।
তবে সরকারি চাকুরিজীবীদের কর্মের নিরাপত্তা এবং তরুণদের কাজের সুযোগ তৈরির ক্ষেত্রে ভারসাম্য বজায় রাখার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হতে পারে। নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলে তা সরকারি চাকরির সামগ্রিক কাঠামোয় বড় ধরনের পরিবর্তন আনবে বলে মনে করা হচ্ছে।