নদী থেকে সাগর: নেতানিয়াহুর পরবর্তী ইসরায়েলেও কি ফিলিস্তিন নীতি অপরিবর্তিত থাকবে?
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 30, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ওপর নির্ভর করছে না ইসরায়েলের দীর্ঘমেয়াদী ফিলিস্তিন নীতি। (প্রতীকী ছবি)
নেতানিয়াহু পরবর্তী ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন ইস্যু
ইসরায়েলের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ভবিষ্যৎ নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনা চলছে। তবে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকদের মতে, নেতানিয়াহু ক্ষমতা থেকে সরে গেলেও দেশটির ফিলিস্তিন সংক্রান্ত দীর্ঘস্থায়ী নীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ। সমকালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, 'নদী থেকে সাগর' পর্যন্ত ভূখণ্ডে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখার যে কৌশল, তা দেশটির মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলোর এক ধরনের অঘোষিত ঐকমত্যে পরিণত হয়েছে।
নীতিগত অবস্থানের গভীরতা
ইসরায়েলের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ডানপন্থী দলগুলোর প্রভাব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে নেতানিয়াহু পরবর্তী সরকার যদি ক্ষমতায় আসেও, তবে তারা ফিলিস্তিনিদের প্রতি নমনীয় হবে—এমনটি মনে করার যৌক্তিক কারণ খুব কম। ইসরায়েলের নিরাপত্তা কাঠামো এবং দখলদারিত্বের নীতিগুলো কেবল একজন ব্যক্তির ওপর নির্ভর করে না, বরং এটি দেশটির রাষ্ট্রীয় আদর্শের গভীরে প্রোথিত।
ভবিষ্যৎ চ্যালেঞ্জ
বিশ্লেষকদের মতে, ইসরায়েলের রাজনৈতিক নেতৃত্ব পরিবর্তন হতে পারে, কিন্তু ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল সংঘাতের মূল কারণগুলো রয়ে যাবে অপরিবর্তিত। জর্ডান নদী থেকে ভূমধ্যসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত অঞ্চলে নিজেদের আধিপত্য বজায় রাখার যে মানসিকতা, তা ইসরায়েলের নীতিনির্ধারকদের চিন্তাধারায় শক্তভাবে গেঁথে আছে। তাই নেতানিয়াহুর পতন ঘটলেও ফিলিস্তিনিদের জন্য পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতির সম্ভাবনা কম বলেই মনে করা হচ্ছে।
কমেন্ট বক্স