ছবির ক্যাপশন: পূর্বাচলের বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে আগামী ১ জানুয়ারি থেকে ৩১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা শুরু হতে যাচ্ছে।
আগামী ১ জানুয়ারি শুরু হতে যাচ্ছে ৩১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা (ডিআইটিএফ)। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচলে অবস্থিত বাংলাদেশ-চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টারে মাসব্যাপী এই মেলার যৌথ আয়োজন করছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি)। ১৯৯৫ সাল থেকে শুরু হওয়া এই বাণিজ্য মেলার প্রস্তুতি ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।
ইপিবি সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির মেলার উদ্বোধন করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বাণিজ্যসচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী এবং এফবিসিসিআই-এর প্রশাসক মো. ফজলুল হক উপস্থিত থাকবেন।
দরপত্র ও অবকাঠামোগত প্রস্তুতি
মেলা সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য অবকাঠামো নির্মাণ, সাজসজ্জা, পরিচ্ছন্নতা, নিরাপত্তাসহ ছয়টি লটে সেবা ও পণ্য সরবরাহের দরপত্র আহ্বান করেছে ইপিবি। দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময় নির্ধারণ করা হয়েছে ১৭ নভেম্বর বিকেল চারটা এবং পরদিন ১৮ নভেম্বর দরপত্রগুলো খোলা হবে।
প্রথম লটে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আয়োজন ও প্রচারসামগ্রী তৈরির কাজ রয়েছে। দ্বিতীয় লটে মেলার মূল অবকাঠামো, স্টল, প্যাভিলিয়ন, খাবারের দোকান এবং অস্থায়ী নামাজের স্থান নির্মাণের পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
বিদেশি প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে জোর
ইপিবির ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাসান আরিফ প্রথম আলোকে জানান, মেলায় আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ বাড়াতে বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোর সঙ্গে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে আলোচনা করা হয়েছে। তাদের চিঠিও পাঠানো হয়েছে এবং এবার বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে ভালো সাড়ার আশা করা হচ্ছে। তবে ২০২৭ সালের জন্য ‘বর্ষপণ্য’ বা ‘প্রোডাক্ট অব দ্য ইয়ার’ এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি।
বিশেষ প্যাভিলিয়ন ও সুযোগ-সুবিধা
এবারের মেলার অন্যতম আকর্ষণ হিসেবে ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে আহত ও শহীদদের স্মরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক একটি গ্যালারি বা প্যাভিলিয়ন নির্মাণ করা হবে। এছাড়া প্রাঙ্গণে বয়স্কদের বসার স্থান, কফি কর্নার ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্র থাকবে। পুরো প্রাঙ্গণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিসিটিভি ক্যামেরা, মেটাল ডিটেক্টর এবং প্রশিক্ষিত বেসরকারি নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েন করা হবে।