ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে বাংলাদেশের ঋণের হার কম
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 24, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ঋণের হার তুলনামূলক কম। (প্রতীকী ছবি)
দক্ষিণ এশিয়ার অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রতিবেশী দেশ ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার তুলনায় বাংলাদেশের ঋণের হার বা অনুপাত কম রয়েছে। আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন অর্থনৈতিক সূচক পর্যালোচনায় দেখা যায়, এই অঞ্চলের অন্যান্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশের সার্বিক ঋণের চাপ বেশ কম এবং তুলনামূলক স্থিতিশীল।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সাথে ঋণের তুলনামূলক চিত্র
দক্ষিণ এশিয়ার প্রধান অর্থনৈতিক দেশ ভারতের পাশাপাশি অর্থনৈতিক সংকটের মুখোমুখি হওয়া শ্রীলঙ্কা ও পাকিস্তানের ঋণের বোঝা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আশঙ্কাজনকভাবে বেড়েছে। এসব দেশের জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) অনুপাতে অভ্যন্তরীণ ও বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ অনেক বেশি, যা তাদের জাতীয় অর্থনীতিতে বড় ধরণের চাপ তৈরি করেছে। এর বিপরীতে, বাংলাদেশের মোট জিডিপির তুলনায় ঋণের হার আন্তর্জাতিক সহনশীল সীমার মধ্যেই অবস্থান করছে।
বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে সতর্কতামূলক ঋণ নীতি অনুসরণ করার কারণে প্রতিবেশীদের তুলনায় ঋণের এই ইতিবাচক অনুপাত ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে। বিশ্বব্যাপী মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও বৈশ্বিক সংস্থাগুলোর মূল্যায়নে বাংলাদেশের ঋণের ঝুঁকি তুলনামূলক কম বলে বিবেচিত হচ্ছে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার গুরুত্ব
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ভারত, পাকিস্তান ও শ্রীলঙ্কার চেয়ে বাংলাদেশের ঋণের অনুপাত কম থাকাটা একটি স্বস্তিদায়ক দিক। তবে বর্তমান বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি এবং রাজস্ব সংগ্রহের মতো অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বাংলাদেশকে ঋণ গ্রহণের ক্ষেত্রে আরও বেশি হিসাব-নিকাশ করতে হবে। সময়মতো ঋণ পরিশোধ এবং উৎপাদনশীল খাতে বৈদেশিক ঋণের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে দেশের এই অবস্থান ধরে রাখা সম্ভব হবে।
কমেন্ট বক্স