মহাকাশের ধ্বংসাবশেষের ঝুঁকি থেকে যেভাবে রক্ষা পেল বাংলাদেশের স্যাটেলাইট
-
নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 8, 2026 ইং
ছবির ক্যাপশন: মহাকাশে নিজস্ব কক্ষপথে সফলভাবে সেবা প্রদান করে চলেছে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১। (প্রতীকী ছবি)
মহাকাশে ভাসমান পুরনো কোনো স্যাটেলাইটের ধ্বংসাবশেষ বা মহাজাগতিক বর্জ্যের (স্পেস ডেব্রি) আঘাতের চরম ঝুঁকি থেকে রক্ষা পেয়েছে বাংলাদেশের প্রথম যোগাযোগ স্যাটেলাইট ‘বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট-১’। ভূ-উপগ্রহ কেন্দ্রের সজাগ দৃষ্টি ও সময়োচিত কারিগরি পদক্ষেপে সম্ভাব্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে।
মহাকাশে সংঘর্ষের ঝুঁকি
মহাকাশে ঘুরে বেড়ানো অকেজো স্যাটেলাইটের অংশবিশেষ কিংবা কৃত্রিম বর্জ্য প্রতিনিয়ত সক্রিয় উপগ্রহগুলোর জন্য ঝুঁকি তৈরি করে। এসব ধ্বংসাবশেষ অত্যন্ত দ্রুতগতিতে ছুটে চলে, যার একটি ক্ষুদ্র অংশও সক্রিয় স্যাটেলাইটে আঘাত করলে তা অকেজো হয়ে যেতে পারে। সম্প্রতি এমনই এক টুকরো বিপজ্জনক ধ্বংসাবশেষ বাংলাদেশের স্যাটেলাইটের কক্ষপথের বিপজ্জনক সীমার মধ্যে চলে আসার সংকেত পাওয়া যায়।
যেভাবে এড়ানো গেল বিপদ
আন্তর্জাতিক স্পেস ট্র্যাকিং সংস্থা এবং নিজস্ব গ্রাউন্ড স্টেশনের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত মহাজাগতিক বর্জ্যের গতিপথ নজরদারি করা হয়। সংঘর্ষের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ার পরপরই প্রকৌশলীরা প্রয়োজনীয় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। থ্রাস্টার ব্যবহারের মাধ্যমে স্যাটেলাইটের গতি ও কক্ষপথের অবস্থান সামান্য পরিবর্তন করে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা হয়, যা আন্তর্জাতিক পরিভাষায় 'কলাইশন অ্যাভয়েডেন্স ম্যানুভার' নামে পরিচিত।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্যমতে, সঠিক সময়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ায় স্যাটেলাইটের কোনো ক্ষতি হয়নি। বর্তমানে স্যাটেলাইটটির অবস্থান সম্পূর্ণ সুরক্ষিত রয়েছে এবং এর সম্প্রচার ও যোগাযোগ সেবা নিরবচ্ছিন্নভাবে চালু রয়েছে।
কমেন্ট বক্স