জমি জালিয়াতি ও সিআইডির তদন্ত
অভিষেকের আপ্তসহায়ক পরিচয় দিয়ে নানা অপকর্মে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার হয়েছেন সুমিত রায়। সিআইডির হাতে গ্রেফতারির পর থেকেই এ নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল শুরু হয়েছে। তদন্তে নেমে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, এই দুর্নীতির জাল বেশ দূর পর্যন্ত বিস্তৃত।
টাকা লেনদেন ও চক্রের সন্ধান
মেদিনীপুর আদালতে সিআইডির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, সুমিত রায়কে জিজ্ঞাসাবাদ করে একটি বড় অপরাধ চক্রের হদিশ পাওয়া গেছে। কে বা কারা তাঁর অফিসে টাকা পাঠাতেন এবং সেই দুর্নীতির অর্থ কোথায় পাচার করা হতো, সে বিষয়ে নানা তথ্য খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। সংবাদমাধ্যম এবিপি আনন্দ ও দ্য ওয়াল-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই ঘটনায় প্রাক্তন এক তৃণমূল বিধায়কের নামও উঠে এসেছে, যিনি সুমিতের অফিসে টাকা পৌঁছে দিতেন।
গ্রেফতারের পরবর্তী আপডেট
গ্রেফতারির ৪৮ ঘণ্টা না পেরোতেই সুমিত রায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশ করেছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হয়েছে। সিআইডি এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য প্রভাবশালী ব্যক্তিদের ভূমিকা খতিয়ে দেখছে।