নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটির পক্ষ থেকে মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি, ২০২৬) এই নোটিশ প্রদান করা হয়।
নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে, নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটির সদস্য যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ (আদালত নং-২, সাতক্ষীরা) নয়ন বিশ্বাস কলারোয়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনকালে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের এসব প্রমাণ পান।
বিএনপির প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিবেদনে বলা হয়, কলারোয়ার ব্রজবাকসা হাফিজিয়া মাদ্রাসার সামনে, শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রী কলেজের সামনে, ট্রাক টার্মিনাল মোড় এবং কলারোয়া উপজেলা মোড়সহ বিভিন্ন স্থানে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর হাবিবুল ইসলাম হাবিব এর নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যবহৃত ফেস্টুন ও ব্যানার যত্রতত্র গাছের সাথে, বিদ্যুতের খুঁটিতে এবং যানবাহনে সাঁটানো অবস্থায় দেখা গেছে।
অপর জামায়াত প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রতিবেদনে বলা হয়, কলারোয়ার তুলশীডাঙ্গা, হেলাতলা, শেখ আমানুল্লাহ ডিগ্রি কলেজের সামনে, ট্রাক টার্মিনাল মোড়, গোপীনাথপুর মোড় এবং মুরারিকাটি মোড়সহ বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীর নির্বাচনী ফেস্টুন গাছ ও বৈদ্যুতিক খুঁটির সাথে সাঁটানো অবস্থায় দেখা গেছে।
এই কর্মকাণ্ড 'সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫'-এর ৭(গ) বিধির সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
দ্য রিপ্রেজেন্টেশন অফ দ্য পিপল অর্ডার (RPO), ১৯৭২-এর আর্টিকেল ৯১এ অনুযায়ী এটি একটি দণ্ডনীয় অপরাধ।
আচরণবিধি লঙ্ঘনের এই অভিযোগে কেন তাদের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না বা শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না, তা আগামী ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ (বৃহস্পতিবার) দুপুর ১২:৩০ মিনিটের মধ্যে সশরীরে বা উপযুক্ত প্রতিনিধির মাধ্যমে লিখিতভাবে জানানোর নির্দেশ দেয়া হয়েছে।
উক্ত শুনানি সাতক্ষীরা যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ আদালত নং-২ এ অনুষ্ঠিত হবে।
নির্ধারিত সময়ে হাজির হতে ব্যর্থ হলে প্রার্থীদের অনুপস্থিতিতেই আইনানুগ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।