দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্রিকস সামিট। এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের গতিপ্রকৃতি নতুন করে নির্ধারণ করছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও জোটে এখনো কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য ও বিভেদ রয়ে গেছে।
বিভিন্ন গণমাধ্যমের খবরে প্রকাশ, এই সম্মেলনে ব্রিকস জোটের সদস্য দেশগুলো একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে একমত পোষণ করেছে। এর পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নানা রাজনৈতিক সমীকরণও আলোচনায় গুরুত্ব পেয়েছে। সংবাদ সূত্র নিউজ বাংলা টুডে জানিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রাউন প্রিন্সের সঙ্গে বৈঠকের পর ইরানের প্রেসিডেন্টের বক্তব্য এবং সার্বিক পরিস্থিতি ব্রিকস দেশগুলোর কূটনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
এদিকে সম্মেলনের অংশ হিসেবে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আয়োজিত নৈশভোজে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের অংশ না নেওয়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা তৈরি হয়েছে। এ ঘটনায় ব্রিকস জোটের অভ্যন্তরীণ কূটনীতি ও সম্পর্কের বর্তমান অবস্থা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। সার্বিকভাবে, চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে ব্রিকস জোটের ঐক্য এবং চ্যালেঞ্জগুলো এই সম্মেলনে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।