
সাম্প্রতিক সময়ে বিশ্বমঞ্চে নরেন্দ্র মোদী, ভ্লাদিমির পুতিন এবং শি জিনপিংয়ের একসঙ্গে উপস্থিতি আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই শক্তিশালী অবস্থান কি তবে বৈশ্বিক রাজনীতিতে নতুন কোনো সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে—এমন প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে কূটনৈতিক মহলে। বিশেষ করে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে এই ত্রিমাত্রিক উপস্থিতি বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার ও অন্যান্য সূত্রের খবর অনুযায়ী, এই কূটনীতির ভিড়ে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে। সংবাদ সংস্থা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমের তথ্য অনুযায়ী, বৈঠকে বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদার করার পাশাপাশি সীমান্তে শান্তি বজায় রাখার বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। তবে এর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের নেতাদের কর্মসূচি ও নৈশভোজে উপস্থিতি নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনাও তৈরি হয়েছে। দ্য ডেইলি ইত্তেফাক এবং দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ডের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং মোদির দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেননি এবং দ্রুত ভারত ত্যাগ করেছেন, যা নিয়ে গণমাধ্যমে নানা প্রশ্নের উদ্রেক হয়েছে।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, শক্তিশালী হয়ে ওঠা ব্রিকস জোটের প্রকৃত লক্ষ্য এবং এর ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নিয়েও নানা বিশ্লেষণ চলছে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই জোটের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বিশ্বমঞ্চে এক নতুন শক্তির ভারসাম্য তৈরি করছে। নিউজ বাংলা আজ-এর পরিবেশित তথ্য অনুসারে গোটা ঘটনাপ্রবাহ এখন বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।