তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতীক 'জোড়াফুল' কার দখলে থাকবে, তা নিয়ে আইনি ও রাজনৈতিক লড়াইয়ের মধ্যেই নতুন মোড় এসেছে। এই বিরোধের মীমাংসা করতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিল্লির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মুখোমুখি হতে বলা হয়েছে। সূত্র মারফত এই খবর জানিয়েছে এবিপি আনন্দ ও প্রথম আলো।
অন্য একটি ঘটনায়, নন্দীগ্রামের আসন্ন উপনির্বাচনে ঘাসফুল শিবির প্রার্থী দেবে কি না, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে তৃণমূল কংগ্রেসের কোনো প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন না, যা নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকা প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
এরই মধ্যে মদন মিত্রের একটি মন্তব্য নতুন করে বিতর্ক তৈরি করেছে। তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে মন্তব্য করেছেন যে, যেখানে যা সামর্থ্য আছে, তা দিয়ে সর্বশক্তি প্রয়োগ করতে হবে এবং এর মাধ্যমেই মমতাকে নন্দীগ্রামে একা লড়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। সার্বিক এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নানা জল্পনা-কল্পনা শুরু হয়েছে।